ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নেতৃত্বে নতুন দিগন্ত? দেশে ফিরতে পারেন তারেক রহমান কোটা ছাড়াই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সফল শারীরিক প্রতিবন্ধী উল্লাস – এক অনুপ্রেরণার গল্প ভোটের তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সিইসি’র বক্তব্য ইরান যুদ্ধ: জনমত তৈরিতে কেন ব্যর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্র? গভীর বিশ্লেষণ আবু সাঈদ হত্যা মামলার ২৬ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ৪ জন কারাগারে জগন্নাথের ছাত্রদের জন্য আধুনিক হোস্টেল চালু আস-সুন্নাহর মাধ্যমে অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচন করবেন? বিএনপি নেতার সন্দেহে রাজনীতিতে নতুন আলোচনার ঝড় উঠেছে দরজা ভেঙে গণধর্ষণ: মুরাদনগরে প্রধান আসামিসহ পাঁচজন আটক উমামা ফাতেমার পদত্যাগ: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নতুন সংকট নরসংদীতে রক্তাক্ত রাজনীতি: গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে প্রাণ ঝরছে

১৬ জনের ফাঁসির রায়

আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড? ১৬ জনের ফাঁসির পেছনে পুলিশের ভয়ংকর নাটক!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

Suicide or murder The terrible police drama behind the hanging of 16 people!

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি লাশ নিয়ে বাণিজ্যের খবর জানাবো। যে লাশের উপর ভর করে পুরো পরিবার হয়েছে কোটিপতি। নুন আনতে পান্তা ফুরানো সেই পরিবারের সকলেই আজ সচ্ছল। পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুতে যেন পুরো পরিবারের চেহারা বদলে গেছে। বোনের মৃত্যুতে শোখের বদলে সুখ আর স্বাচ্ছন্দ নেমে এসেছে ভাইদের পরিবারে। বান্ডেল বান্ডেল টাকার সাথে বাড়িতে বসেছে পুলিশের নিরাপত্তা। রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ লোকজনের সাথে ওঠা বসার সুযোগও হয়েছে এক লাশের বিনিময়ে। একদিকে গড়েছে ভেঙেছে অন্যদিক। যেই লাশ তার পরিবারকে কোটিপতি করেছে ঠিক একই লাশ নিঃস্ব করে দিয়েছে অর্ধশতাধিক পরিবারকে।
16 জনের গলায় ঝুলিয়েছে ফাঁসির দড়ি শরীরে নির্যাতনের ক্ষত। অনেকের স্বাভাবিক বেঁচে থাকার পথকে। করেছে বাধাগ্রস্তা মাদ্রাসার ফেনর সোনাগাজির নুসাদের কথিত হত্যাকাণডের কথা বলছি যার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বদলে গিয়েছে সোনাগাজীর রাজনীতি অর্থনীতি নুরশাতে নিম্নবিত্ত পরিবারের হাতে এখন কারি টাকা আবার নিঃস্ব হয়েছে বিত্তবান অনেক পরিবার। ছয় বছর ধরে আদালতের দরজায় ছুটতে ছুটতে সহায় সম্বল সব হারিয়ে নিঃস্ব হবার পথে 16 টি পরিবার। এক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নুসাদের পরিবারের পাশাপাশি পিবিআই প্রধান বনজ সেই সাথে বিচারকের পকেটও ভারী হয়েছে। আমি মনোজ
কুমারের বিচার চাই। আর কিছু চাই না। মনোজ কুমারের বিচার চাই। মনোজ কুমারে [মিউজিক] নিয়া নির্দোষের ভিতরে গেছে। 2019 সাল থেকে যেভাবে বনদ চেয়েছে সেভাবেই চলেছে বিচার। মাদ্রাসার দাড়ি টুপিওয়ালা লোকজনকে ফাসাতে দেশের গণমাধ্যম কথিত সুশীল কিংবা মানবতার ফেরিওয়ালা পরিচয় ব্যারিস্টার সুমন্দের মতো দালাল শ্রেণীর সব এক হয়ে শুরু করেছিল মিডিয়া ট্রায়াল। মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে 16 জন নিরীহ মানুষকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার পথ সুগম করে দেয় ঘুষখোর বিচারক। মামলার শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের বিপি হাফিজুর
রহমানের নেতৃত্বে আইনজীবী প্যানেল নুসরাশাদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই নুসরাশাদের পরিবার আইনজীবী পরিবর্তন করেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান সাহাযুকে নিযুক্ত করার পর থেকেই পাল্টে যেতে থাকে পুরো বিচার প্রক্রিয়া। প্রতিটি শুনানিীর তারিখ এলেই বাদী আর বিবাদী পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে চলত প্রকাশ্যে বাঘ বিতন্ডা। আছে [মিউজিক] নুশাতের পরিবারে নিয়োগ করা আইনজীপি আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান সাজুর গোপনে রেকর্ড করা কিছু বক্তব্য আমাদের হাতে এসেছে যেখানে সাজু নিজেই স্বীকার করেছেন
এই মামলার খুব বেশি চেষ্টা করা হলেও চারজনকে কিছুটা সাজা দেয়া যেত বাকিরা সবাই খালাস পাবার কথা তারপরে শাহজাহান সাজুর গোপন রেকর্ডে বিচারক মামুনুর রশিদ কিভাবে দু নম্বরী করে বিচারের রায় দিয়েছেন সেই তথ্য উঠে এসেছে এক পর্যায়ে নুরশাতের পরিবারে নিয়োগ করা আইনজীবী বিচারক মামুনুর রশিদকে পাগল উম্মত বলে সম্বোধন করেন প্রত্যেকটা আগে সহ যারা ঘটনা করে তারা আর যারা বাইরে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এতদিনে সবার ফাঁসি হয়েও যেত কিন্তু মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় টিম 15 মিনিটস বোরকা এটা নিয়ে মনে এক ধরনের এলার্জি আছে তার মাঝামাঝিতে আরমানিয়া সম্পূর্ণ
নিশ্চিত না করে উল্টো আমার বিরুদ্ধে তিনটি উদ্দেশ্যমূলক মামলা করা হয়েছিল। আমি বাদী হয়ে গত 309 2022 তারিখে সোনাগাজী মোডেল থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়রি করি। বনসদের রাজত্বে নতুন রাজা এসেছে কিন্তু রাজ্য চলছে আগের মতোই। ধান্দাবাজ বিচারকদের ধান্দাবাজির কারণে দীর্ঘ নয় মাসেও নিরীহ 16 জনকে এখনো মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়নি। বিশেষ আদালত বসে নুসরাশাদ শাওনদের জামিন হয়। কিন্তু সোনাগাজী নিরীহ 16 জনের ক্ষেত্রে জেরা সাক্ষী বালছাল করে চলছে সময়ক্ষাপন। যে কারণে আবারো নুসশাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধানে নামে। টিম 15
ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় 16 আসামের সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বিশেষ করে চিহ্নিত কিছু গণমাধ্যমের সহায়তায় নুসরাশাদের আত্মহত্যাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যে নাটক সাজানো হয়েছিল সেই নাটকের শুরু থেকে শেষ পুরোটা পই পই করে বুঝিয়ে দিতেই আজকের 15 মিনিটস। [মিউজিক] নাটকের শুরুতে বলা হয়েছে নুসাতের মৃত্যুর দিন সোনাগাজী মাদ্রাসায় পরীক্ষা চলছিল। নুসরাশাদ পরীক্ষা দিতে পরীক্ষার হলে যাবার পর কেউ একজন এসে তাকে জানায় নুসরাতের এক বান্ধবিকের মাদ্রাসার ছাদের উপর পেটানো হচ্ছে। এ কথা জানার পর বিষয়টি সবার আগে
শিক্ষকদের জানাবার কথা কিন্তু নুসরাশাদ কাউকে কিছু না জানিয়ে সুপারম্যানের মতো উড়ে যান ছাদের উপর। সেখানে যাবার পর তিনি কাউকে বাঁচাতে পারেননি। উল্টো তার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। আর তাতেই নাকি মৃত্যু হয় নুসশাদের। এখানে তাড়াতাড়ি করেন আপনারা। একটা না 10টা নাকি হাজারটা ছেলের সাথে আমি রিলেশন করি তবুও আমি শিক্ষককে সম্মান করি নুশাদের কাছ থেকে আর কিছু জানার আগেই তার মৃত্যু হয় সাধারণ নাটক সিনেমায় নায়ক নায়িকারা মারা যাবার পর সিনেমা শেষ হয়ে যায় কিন্তু এই নাটকের শুরু হয়েছে নুশাতের মৃত্যুর পরবিআইর
লেখা স্ক্রিপ্টে বলা হয়েছে নুরশাত হত্যা মামলার অন্যতম আসামী শাহাদত হোসেন শামম তার 164 ধারার জবান বন্দিতে স্বীকার করেছেন নুশাতের গায়ে আগুন দেয়ার আগে তার গায়ে যে কেরোসিন তেল ঢালা হয়েছিল সেই তেল তিনি ভুইয়া বাজার লোকমান হোসেনের দোকান থেকে কিনেছিলেন। তিনটা বোরকা এবং কেরোসিন পলিথিনের ব্যাগে নিয়ে এসে সে শাহাদাত হোসেন শামমের কাছে হস্তান্তর করে। পিবিআর বক্তব্যের সূত্র ধরে আমরা প্রথমে ভুইয়া বাজারের সেই লোকমানের দোকানে যাই। কিন্তু কি আশ্চর্য লোকমানের দোকানে নাকি জীবনে কোনদিন 100 টা কেরোসিন তেলও বিক্রি১০,হয়নি। আমি জিনিস বিক্রি করিনি। কিন্তু ছেলে বুড় কয় যে জিনিস আমি। মানে আপনি ক্রাসিন বিক্রি করেন না। শামীমের কারণে আমি আটকা। শামিমমে যদি খালি কয় এর লোকের তো আমি তেল নিমু আমারে ছাড়ি দে। কিন্তু হোলাটা ঘুরাইয়া আমারে দেখায় দে। লোকমানের কাছ থেকে জোরপূর্বক বক্তব্য নেয়ার আগে পিবিআই সোনাগাজী বাজারের আরেক মোদি ব্যবসায়ীকে চাপ দিয়েছিলেন। সেই ব্যবসায়ীকে কোনভাবে রাজি করাতে না পেরে লোকমানকে বাধ্য করে পিবিআই। পিবিআই আসছিল মূলত যে ওখানে ওদের একটা ইয়ে ছিল যে এখান থেকে কেরোসিন তেল নিয়েছিল। তাও পলি ব্যাগে কেরোসিন তেল নেওয়ার একটা প্রসঙ্গ উঠছিল।
তখন আমরা বললাম যে না এভাবে তো আমরা তেল বিক্রি করা হয় না। বোতল আনবে বোতলে কেরোসিন তেল দেওয়া হবে। তেল তো আর পলিতে দেওয়া হয় না। তো পরে যাক উনারা একটু চাপাচাপি করার চেষ্টা করছে। আমরা ওই যে ফুটেজ দিয়েছিলাম উনাদেরকে পেনড্রাইভে রেকর্ড করিয়ে দিয়ে দিলাম। উনারা অনেকক্ষণ বসে বসে দেখে দেখল যে না এ জাতীয় কোন কিছু নাই। নুশাদ হত্যাকান্ডের নাটক আকর্ষণীয় করতে কথিত হত্যাকারীদের ব্যবহৃত বোরকা উদ্ধারের শুটিং করা হয়েছিল। ঘটনার প্রায় মাসখানেক পর মাদ্রাসার পাশের একটি পুকুর থেকে একটি চকচকে নতুন বোরকা উদ্ধারের দাবি করা
হয়েছিল। যে বোরকাটি পুকুর থেকে উদ্ধারের ঘন্টাখানেক আগে পিবিআই একজন সদস্য ওই পুকুরে নামেন এবং কিছু একটা পুতে রেখে আসেন যেটি স্থানীয় একজনের মোবাইলে ধারণও করা হয়েছিল। তার কিছুক্ষণ পরেই পিবিআই দ্বিতীয় দলটি পুকুরে নেমে বোরকা উদ্ধারের নাটক সম্পন্ন করেন। পিবিআই এর উদ্ধার করা সেই বোরকা দেখে মনে হয়েছে কিছুক্ষণ আগে কেনা একটি নতুন বোরকা অথচ নুসরাত মারা গিয়েছিল তারও মাসখানেক আগে। নতুন একজন যেরকম নতুন হাতের মুঠে সে রাখছে আরেকটা লোককে ডুব দিয়ে এসে পাতলে রাখছে তখন আমি বলছি আমি কিছু এটা তো নতুন বোরকা এখন বেইজানো হইছে তখন আমাকে দুই সোফা দিছে


নাটক। অনুসন্ধানে তাদের নাটকের প্রতিটি অংশের আমরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছি। পিবিআই তদন্তে বলা হয়েছে সোনাগাজি মাদ্রাসায় অবস্থিত এই সাইক্লোন সেন্টারের পাঁচ তলার সাদে নুসরাশাদকে আগুন দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সাইক্লোন সেন্টারের উত্তরে মাদ্রাসার মূল ফটক পশ্চিমে প্রশাসনিক ভবন পূর্বে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন সহ দক্ষিণে খেলার মাঠ। খেলার মাঠের শেষ প্রান্তে পুকুরের পরে রয়েছে সীমানা প্রাচীর। তার উপর পরীক্ষার কারণে ঘটনার দিন মাদ্রাসায় 144 ধারা জারি থাকায় মাদ্রাসায় প্রবেশের একমাত্র ফটকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ পাহারায় ছিল।

বাংলাদেশের কোন গণমাধ্যমও তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এরকম চাঞ্চল্যকর একটি মামলার আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলে এত এত গণমাধ্যম দিয়ে কি হবে? কোন যদি নয় ফেনীর কথিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডের নামে যাদেরকে আটক রাখা হয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্তি দিতে হবে।
ছেলেদেরকে কইছে। আমাকে বলছেন কি যে এভাবে বলতে হবে। বাধ্য আমাকে বলতে হবে এভাবে। এরকম এক নরকের মাঝেই দীর্ঘ 15 বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ বসবাস করেছেন। দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় 10 মাস হয়েছে। এরপরেও নির্দোষ এসব মানুষগুলোকে এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো স্বাধীনতা কি শুধুই কিছু মানুষের ভোগের জন্যই এসেছে নাকি অন্যরাও একটু ভোগ করার সুযোগ পাবেন। স্বাধীনতা বিরোধী নুসরাত ফারিয়াদেরকে এদেশে বিশেষ নিয়মে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। অথচ 16 জন মানুষকে মিথ্যা সাজা দিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও সরকারের কোন তৎপরতা নেই।
তৎকালীন বিচারক নিজেই। ওই বিচারক বনজের সাথে হাত মিলিয়ে এক গাঁজাখুরি রায়ের মাধ্যমে 16 জনের জীবন থেকে সোনালী ছয়টি বছর শেষ করে দিয়েছে। অতএব তাকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া পিবিআর একজন কর্মকর্তা ছিল যার নাম শাহ আলম। এই শাহ আলম ছিল বনজ কুমারের ক্যাশিয়ার। বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে শাহ আলমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক টাকা নেয়ার ভয়ঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। কথা হইছে তো ইয়ার সাথে শাহ আলমের সাথে। পিপি শালা আমারে দুইদিন খবর দেই। আমারে সালাম ভাই ফোন দিল। ফোন দিবার পরে বলেন কি আপনি এখন আছেন? আমাদের ওরা 300 লাখ টাকা নিছে। এই যে নির্যাতনটা
হাউসফুল নাটক তৈরি করা হয়েছিল। যে নাটকে সোনাগাজির 16 টি পরিবার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মানসিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা বিনা কারণে অন্ধকার কন্ডেম সেলে বন্দি আছে গেল ছয়টি বছর ধরে। অথচ তারা জানেও না কি তাদের অপরাধ। এরকম এক বিচারিক অপরাধের সাথে জড়িত মূল অপরাধী মনোজ কুমার পলাতক। ব্যারিস্টার সুমন এবং বাদী পক্ষের আইনজীবী কারাগারে। কিন্তু সময় টিভির ওমর ফারুক কমলদে এবং ফেনী প্রতিনিধিকে এখনো পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয়নি। তাদেরকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। এই মামলার গুরুতর আরেকজন অপরাধী মামলার
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি
বাধা দিলেন ওমান পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হন। আমি যখন তার হাসপাতালে তার স্টেটমেন্টটা নিলাম ও স্টেটমেন্টটা নিলাম তখন তো সে একটাবারের জন্য বলে নাই যে এমুক এমুক এমুক। সাব ইন্সপেক্টর কামালের সাথে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের কথোপকথনের একটি পুরাতন রেকর্ড আমাদের হাতে পৌঁছেছে। যেখানে কামাল হোসেন স্বীকার করেন সোনাগাজী থানা পুলিশের তদন্তকারী দল তাদের অনুসন্ধানে আত্মহত্যার প্রমাণ পেলেও অবিশ্বাস্য নাটকীয়ভাবে পিবিআই এটাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ তো একজন আছে আমার খুব কষ্ট হয়
দিন নুসরাত হাস্যজ্জ্বল হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত 6 এপ্রিল 2019 তারিখে আমি নিজের নুসাদকে আলিফ পরীক্ষা সেন্টার সোনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গেটে পৌঁছে দিয়ে বাজারে অবস্থান করেছিলাম সে খুশি মনে পরীক্ষায় হলে গিয়েছিল এবং আগের দুটি পরীক্ষা ভালোভাবে দিয়েছে নুশাদের ভাইয়ের বদলে যাওয়া শুরুটা হাসপাতাল থেকে শুরু হয়েছিল নুশাদের মৃত্যুর আগে মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন যখন তার বক্তব্য নিচ্ছিলেন তখন নুশাদকে সবকিছু শিখিয়ে দিচ্ছিলেন তার ভাই নোমান ওই সময় সাব ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন নোমানকে কে
বাংলাদেশের কোন গণমাধ্যমও তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এরকম চাঞ্চল্যকর একটি মামলার আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলে এত এত গণমাধ্যম দিয়ে কি হবে? কোন যদি নয় ফেনীর কথিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডের নামে যাদেরকে আটক রাখা হয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্তি দিতে হবে।
ছেলেদেরকে কইছে। আমাকে বলছেন কি যে এভাবে বলতে হবে। বাধ্য আমাকে বলতে হবে এভাবে। এরকম এক নরকের মাঝেই দীর্ঘ 15 বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ বসবাস করেছেন। দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় 10 মাস হয়েছে। এরপরেও নির্দোষ এসব মানুষগুলোকে এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো স্বাধীনতা কি শুধুই কিছু মানুষের ভোগের জন্যই এসেছে নাকি অন্যরাও একটু ভোগ করার সুযোগ পাবেন। স্বাধীনতা বিরোধী নুসরাত ফারিয়াদেরকে এদেশে বিশেষ নিয়মে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। অথচ 16 জন মানুষকে মিথ্যা সাজা দিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও সরকারের কোন তৎপরতা নেই।
তৎকালীন বিচারক নিজেই। ওই বিচারক বনজের সাথে হাত মিলিয়ে এক গাঁজাখুরি রায়ের মাধ্যমে 16 জনের জীবন থেকে সোনালী ছয়টি বছর শেষ করে দিয়েছে। অতএব তাকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া পিবিআর একজন কর্মকর্তা ছিল যার নাম শাহ আলম। এই শাহ আলম ছিল বনজ কুমারের ক্যাশিয়ার। বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে শাহ আলমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক টাকা নেয়ার ভয়ঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। কথা হইছে তো ইয়ার সাথে শাহ আলমের সাথে। পিপি শালা আমারে দুইদিন খবর দেই। আমারে সালাম ভাই ফোন দিল। ফোন দিবার পরে বলেন কি আপনি এখন আছেন? আমাদের ওরা 300 লাখ টাকা নিছে। এই যে নির্যাতনটা
অথচ তারা জানেও না কি তাদের অপরাধ। এরকম এক বিচারিক অপরাধের সাথে জড়িত মূল অপরাধী মনোজ কুমার পলাতক। ব্যারিস্টার সুমন এবং বাদী পক্ষের আইনজীবী কারাগারে। কিন্তু সময় টিভির ওমর ফারুক কমলদে এবং ফেনী প্রতিনিধিকে এখনো পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয়নি। তাদেরকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। এই মামলার গুরুতর আরেকজন অপরাধী মামলার
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি

বাধা দিলেন ওমান পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হন। আমি যখন তার হাসপাতালে তার স্টেটমেন্টটা নিলাম ও স্টেটমেন্টটা নিলাম তখন তো সে একটাবারের জন্য বলে নাই যে এমুক এমুক এমুক। সাব ইন্সপেক্টর কামালের সাথে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের কথোপকথনের একটি পুরাতন রেকর্ড আমাদের হাতে পৌঁছেছে। যেখানে কামাল হোসেন স্বীকার করেন সোনাগাজী থানা পুলিশের তদন্তকারী দল তাদের অনুসন্ধানে আত্মহত্যার প্রমাণ পেলেও অবিশ্বাস্য নাটকীয়ভাবে পিবিআই এটাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ তো একজন আছে আমার খুব কষ্ট হয়
দিন নুসরাত হাস্যজ্জ্বল হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন
। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত 6 এপ্রিল 2019 তারিখে আমি নিজের নুসাদকে আলিফ পরীক্ষা সেন্টার সোনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গেটে পৌঁছে দিয়ে বাজারে অবস্থান করেছিলাম সে খুশি মনে পরীক্ষায় হলে গিয়েছিল এবং আগের দুটি পরীক্ষা ভালোভাবে দিয়েছে নুশাদের ভাইয়ের বদলে যাওয়া শুরুটা হাসপাতাল থেকে শুরু হয়েছিল নুশাদের মৃত্যুর আগে মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন যখন তার বক্তব্য নিচ্ছিলেন তখন নুশাদকে সবকিছু শিখিয়ে দিচ্ছিলেন তার ভাই নোমান ওই সময় সাব ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন নোমানকে কে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৬ জনের ফাঁসির রায়

আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড? ১৬ জনের ফাঁসির পেছনে পুলিশের ভয়ংকর নাটক!

আপডেট সময় : ০৪:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

একটি লাশ নিয়ে বাণিজ্যের খবর জানাবো। যে লাশের উপর ভর করে পুরো পরিবার হয়েছে কোটিপতি। নুন আনতে পান্তা ফুরানো সেই পরিবারের সকলেই আজ সচ্ছল। পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুতে যেন পুরো পরিবারের চেহারা বদলে গেছে। বোনের মৃত্যুতে শোখের বদলে সুখ আর স্বাচ্ছন্দ নেমে এসেছে ভাইদের পরিবারে। বান্ডেল বান্ডেল টাকার সাথে বাড়িতে বসেছে পুলিশের নিরাপত্তা। রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ লোকজনের সাথে ওঠা বসার সুযোগও হয়েছে এক লাশের বিনিময়ে। একদিকে গড়েছে ভেঙেছে অন্যদিক। যেই লাশ তার পরিবারকে কোটিপতি করেছে ঠিক একই লাশ নিঃস্ব করে দিয়েছে অর্ধশতাধিক পরিবারকে।
16 জনের গলায় ঝুলিয়েছে ফাঁসির দড়ি শরীরে নির্যাতনের ক্ষত। অনেকের স্বাভাবিক বেঁচে থাকার পথকে। করেছে বাধাগ্রস্তা মাদ্রাসার ফেনর সোনাগাজির নুসাদের কথিত হত্যাকাণডের কথা বলছি যার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বদলে গিয়েছে সোনাগাজীর রাজনীতি অর্থনীতি নুরশাতে নিম্নবিত্ত পরিবারের হাতে এখন কারি টাকা আবার নিঃস্ব হয়েছে বিত্তবান অনেক পরিবার। ছয় বছর ধরে আদালতের দরজায় ছুটতে ছুটতে সহায় সম্বল সব হারিয়ে নিঃস্ব হবার পথে 16 টি পরিবার। এক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নুসাদের পরিবারের পাশাপাশি পিবিআই প্রধান বনজ সেই সাথে বিচারকের পকেটও ভারী হয়েছে। আমি মনোজ
কুমারের বিচার চাই। আর কিছু চাই না। মনোজ কুমারের বিচার চাই। মনোজ কুমারে [মিউজিক] নিয়া নির্দোষের ভিতরে গেছে। 2019 সাল থেকে যেভাবে বনদ চেয়েছে সেভাবেই চলেছে বিচার। মাদ্রাসার দাড়ি টুপিওয়ালা লোকজনকে ফাসাতে দেশের গণমাধ্যম কথিত সুশীল কিংবা মানবতার ফেরিওয়ালা পরিচয় ব্যারিস্টার সুমন্দের মতো দালাল শ্রেণীর সব এক হয়ে শুরু করেছিল মিডিয়া ট্রায়াল। মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে 16 জন নিরীহ মানুষকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার পথ সুগম করে দেয় ঘুষখোর বিচারক। মামলার শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের বিপি হাফিজুর
রহমানের নেতৃত্বে আইনজীবী প্যানেল নুসরাশাদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই নুসরাশাদের পরিবার আইনজীবী পরিবর্তন করেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান সাহাযুকে নিযুক্ত করার পর থেকেই পাল্টে যেতে থাকে পুরো বিচার প্রক্রিয়া। প্রতিটি শুনানিীর তারিখ এলেই বাদী আর বিবাদী পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে চলত প্রকাশ্যে বাঘ বিতন্ডা। আছে [মিউজিক] নুশাতের পরিবারে নিয়োগ করা আইনজীপি আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান সাজুর গোপনে রেকর্ড করা কিছু বক্তব্য আমাদের হাতে এসেছে যেখানে সাজু নিজেই স্বীকার করেছেন
এই মামলার খুব বেশি চেষ্টা করা হলেও চারজনকে কিছুটা সাজা দেয়া যেত বাকিরা সবাই খালাস পাবার কথা তারপরে শাহজাহান সাজুর গোপন রেকর্ডে বিচারক মামুনুর রশিদ কিভাবে দু নম্বরী করে বিচারের রায় দিয়েছেন সেই তথ্য উঠে এসেছে এক পর্যায়ে নুরশাতের পরিবারে নিয়োগ করা আইনজীবী বিচারক মামুনুর রশিদকে পাগল উম্মত বলে সম্বোধন করেন প্রত্যেকটা আগে সহ যারা ঘটনা করে তারা আর যারা বাইরে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এতদিনে সবার ফাঁসি হয়েও যেত কিন্তু মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় টিম 15 মিনিটস বোরকা এটা নিয়ে মনে এক ধরনের এলার্জি আছে তার মাঝামাঝিতে আরমানিয়া সম্পূর্ণ
নিশ্চিত না করে উল্টো আমার বিরুদ্ধে তিনটি উদ্দেশ্যমূলক মামলা করা হয়েছিল। আমি বাদী হয়ে গত 309 2022 তারিখে সোনাগাজী মোডেল থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়রি করি। বনসদের রাজত্বে নতুন রাজা এসেছে কিন্তু রাজ্য চলছে আগের মতোই। ধান্দাবাজ বিচারকদের ধান্দাবাজির কারণে দীর্ঘ নয় মাসেও নিরীহ 16 জনকে এখনো মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়নি। বিশেষ আদালত বসে নুসরাশাদ শাওনদের জামিন হয়। কিন্তু সোনাগাজী নিরীহ 16 জনের ক্ষেত্রে জেরা সাক্ষী বালছাল করে চলছে সময়ক্ষাপন। যে কারণে আবারো নুসশাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধানে নামে। টিম 15
ছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় 16 আসামের সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বিশেষ করে চিহ্নিত কিছু গণমাধ্যমের সহায়তায় নুসরাশাদের আত্মহত্যাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে যে নাটক সাজানো হয়েছিল সেই নাটকের শুরু থেকে শেষ পুরোটা পই পই করে বুঝিয়ে দিতেই আজকের 15 মিনিটস। [মিউজিক] নাটকের শুরুতে বলা হয়েছে নুসাতের মৃত্যুর দিন সোনাগাজী মাদ্রাসায় পরীক্ষা চলছিল। নুসরাশাদ পরীক্ষা দিতে পরীক্ষার হলে যাবার পর কেউ একজন এসে তাকে জানায় নুসরাতের এক বান্ধবিকের মাদ্রাসার ছাদের উপর পেটানো হচ্ছে। এ কথা জানার পর বিষয়টি সবার আগে
শিক্ষকদের জানাবার কথা কিন্তু নুসরাশাদ কাউকে কিছু না জানিয়ে সুপারম্যানের মতো উড়ে যান ছাদের উপর। সেখানে যাবার পর তিনি কাউকে বাঁচাতে পারেননি। উল্টো তার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। আর তাতেই নাকি মৃত্যু হয় নুসশাদের। এখানে তাড়াতাড়ি করেন আপনারা। একটা না 10টা নাকি হাজারটা ছেলের সাথে আমি রিলেশন করি তবুও আমি শিক্ষককে সম্মান করি নুশাদের কাছ থেকে আর কিছু জানার আগেই তার মৃত্যু হয় সাধারণ নাটক সিনেমায় নায়ক নায়িকারা মারা যাবার পর সিনেমা শেষ হয়ে যায় কিন্তু এই নাটকের শুরু হয়েছে নুশাতের মৃত্যুর পরবিআইর
লেখা স্ক্রিপ্টে বলা হয়েছে নুরশাত হত্যা মামলার অন্যতম আসামী শাহাদত হোসেন শামম তার 164 ধারার জবান বন্দিতে স্বীকার করেছেন নুশাতের গায়ে আগুন দেয়ার আগে তার গায়ে যে কেরোসিন তেল ঢালা হয়েছিল সেই তেল তিনি ভুইয়া বাজার লোকমান হোসেনের দোকান থেকে কিনেছিলেন। তিনটা বোরকা এবং কেরোসিন পলিথিনের ব্যাগে নিয়ে এসে সে শাহাদাত হোসেন শামমের কাছে হস্তান্তর করে। পিবিআর বক্তব্যের সূত্র ধরে আমরা প্রথমে ভুইয়া বাজারের সেই লোকমানের দোকানে যাই। কিন্তু কি আশ্চর্য লোকমানের দোকানে নাকি জীবনে কোনদিন 100 টা কেরোসিন তেলও বিক্রি১০,হয়নি। আমি জিনিস বিক্রি করিনি। কিন্তু ছেলে বুড় কয় যে জিনিস আমি। মানে আপনি ক্রাসিন বিক্রি করেন না। শামীমের কারণে আমি আটকা। শামিমমে যদি খালি কয় এর লোকের তো আমি তেল নিমু আমারে ছাড়ি দে। কিন্তু হোলাটা ঘুরাইয়া আমারে দেখায় দে। লোকমানের কাছ থেকে জোরপূর্বক বক্তব্য নেয়ার আগে পিবিআই সোনাগাজী বাজারের আরেক মোদি ব্যবসায়ীকে চাপ দিয়েছিলেন। সেই ব্যবসায়ীকে কোনভাবে রাজি করাতে না পেরে লোকমানকে বাধ্য করে পিবিআই। পিবিআই আসছিল মূলত যে ওখানে ওদের একটা ইয়ে ছিল যে এখান থেকে কেরোসিন তেল নিয়েছিল। তাও পলি ব্যাগে কেরোসিন তেল নেওয়ার একটা প্রসঙ্গ উঠছিল।
তখন আমরা বললাম যে না এভাবে তো আমরা তেল বিক্রি করা হয় না। বোতল আনবে বোতলে কেরোসিন তেল দেওয়া হবে। তেল তো আর পলিতে দেওয়া হয় না। তো পরে যাক উনারা একটু চাপাচাপি করার চেষ্টা করছে। আমরা ওই যে ফুটেজ দিয়েছিলাম উনাদেরকে পেনড্রাইভে রেকর্ড করিয়ে দিয়ে দিলাম। উনারা অনেকক্ষণ বসে বসে দেখে দেখল যে না এ জাতীয় কোন কিছু নাই। নুশাদ হত্যাকান্ডের নাটক আকর্ষণীয় করতে কথিত হত্যাকারীদের ব্যবহৃত বোরকা উদ্ধারের শুটিং করা হয়েছিল। ঘটনার প্রায় মাসখানেক পর মাদ্রাসার পাশের একটি পুকুর থেকে একটি চকচকে নতুন বোরকা উদ্ধারের দাবি করা
হয়েছিল। যে বোরকাটি পুকুর থেকে উদ্ধারের ঘন্টাখানেক আগে পিবিআই একজন সদস্য ওই পুকুরে নামেন এবং কিছু একটা পুতে রেখে আসেন যেটি স্থানীয় একজনের মোবাইলে ধারণও করা হয়েছিল। তার কিছুক্ষণ পরেই পিবিআই দ্বিতীয় দলটি পুকুরে নেমে বোরকা উদ্ধারের নাটক সম্পন্ন করেন। পিবিআই এর উদ্ধার করা সেই বোরকা দেখে মনে হয়েছে কিছুক্ষণ আগে কেনা একটি নতুন বোরকা অথচ নুসরাত মারা গিয়েছিল তারও মাসখানেক আগে। নতুন একজন যেরকম নতুন হাতের মুঠে সে রাখছে আরেকটা লোককে ডুব দিয়ে এসে পাতলে রাখছে তখন আমি বলছি আমি কিছু এটা তো নতুন বোরকা এখন বেইজানো হইছে তখন আমাকে দুই সোফা দিছে


নাটক। অনুসন্ধানে তাদের নাটকের প্রতিটি অংশের আমরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছি। পিবিআই তদন্তে বলা হয়েছে সোনাগাজি মাদ্রাসায় অবস্থিত এই সাইক্লোন সেন্টারের পাঁচ তলার সাদে নুসরাশাদকে আগুন দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সাইক্লোন সেন্টারের উত্তরে মাদ্রাসার মূল ফটক পশ্চিমে প্রশাসনিক ভবন পূর্বে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন সহ দক্ষিণে খেলার মাঠ। খেলার মাঠের শেষ প্রান্তে পুকুরের পরে রয়েছে সীমানা প্রাচীর। তার উপর পরীক্ষার কারণে ঘটনার দিন মাদ্রাসায় 144 ধারা জারি থাকায় মাদ্রাসায় প্রবেশের একমাত্র ফটকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ পাহারায় ছিল।

বাংলাদেশের কোন গণমাধ্যমও তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এরকম চাঞ্চল্যকর একটি মামলার আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলে এত এত গণমাধ্যম দিয়ে কি হবে? কোন যদি নয় ফেনীর কথিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডের নামে যাদেরকে আটক রাখা হয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্তি দিতে হবে।
ছেলেদেরকে কইছে। আমাকে বলছেন কি যে এভাবে বলতে হবে। বাধ্য আমাকে বলতে হবে এভাবে। এরকম এক নরকের মাঝেই দীর্ঘ 15 বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ বসবাস করেছেন। দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় 10 মাস হয়েছে। এরপরেও নির্দোষ এসব মানুষগুলোকে এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো স্বাধীনতা কি শুধুই কিছু মানুষের ভোগের জন্যই এসেছে নাকি অন্যরাও একটু ভোগ করার সুযোগ পাবেন। স্বাধীনতা বিরোধী নুসরাত ফারিয়াদেরকে এদেশে বিশেষ নিয়মে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। অথচ 16 জন মানুষকে মিথ্যা সাজা দিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও সরকারের কোন তৎপরতা নেই।
তৎকালীন বিচারক নিজেই। ওই বিচারক বনজের সাথে হাত মিলিয়ে এক গাঁজাখুরি রায়ের মাধ্যমে 16 জনের জীবন থেকে সোনালী ছয়টি বছর শেষ করে দিয়েছে। অতএব তাকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া পিবিআর একজন কর্মকর্তা ছিল যার নাম শাহ আলম। এই শাহ আলম ছিল বনজ কুমারের ক্যাশিয়ার। বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে শাহ আলমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক টাকা নেয়ার ভয়ঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। কথা হইছে তো ইয়ার সাথে শাহ আলমের সাথে। পিপি শালা আমারে দুইদিন খবর দেই। আমারে সালাম ভাই ফোন দিল। ফোন দিবার পরে বলেন কি আপনি এখন আছেন? আমাদের ওরা 300 লাখ টাকা নিছে। এই যে নির্যাতনটা
হাউসফুল নাটক তৈরি করা হয়েছিল। যে নাটকে সোনাগাজির 16 টি পরিবার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মানসিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা বিনা কারণে অন্ধকার কন্ডেম সেলে বন্দি আছে গেল ছয়টি বছর ধরে। অথচ তারা জানেও না কি তাদের অপরাধ। এরকম এক বিচারিক অপরাধের সাথে জড়িত মূল অপরাধী মনোজ কুমার পলাতক। ব্যারিস্টার সুমন এবং বাদী পক্ষের আইনজীবী কারাগারে। কিন্তু সময় টিভির ওমর ফারুক কমলদে এবং ফেনী প্রতিনিধিকে এখনো পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয়নি। তাদেরকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। এই মামলার গুরুতর আরেকজন অপরাধী মামলার
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি
বাধা দিলেন ওমান পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হন। আমি যখন তার হাসপাতালে তার স্টেটমেন্টটা নিলাম ও স্টেটমেন্টটা নিলাম তখন তো সে একটাবারের জন্য বলে নাই যে এমুক এমুক এমুক। সাব ইন্সপেক্টর কামালের সাথে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের কথোপকথনের একটি পুরাতন রেকর্ড আমাদের হাতে পৌঁছেছে। যেখানে কামাল হোসেন স্বীকার করেন সোনাগাজী থানা পুলিশের তদন্তকারী দল তাদের অনুসন্ধানে আত্মহত্যার প্রমাণ পেলেও অবিশ্বাস্য নাটকীয়ভাবে পিবিআই এটাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ তো একজন আছে আমার খুব কষ্ট হয়
দিন নুসরাত হাস্যজ্জ্বল হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত 6 এপ্রিল 2019 তারিখে আমি নিজের নুসাদকে আলিফ পরীক্ষা সেন্টার সোনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গেটে পৌঁছে দিয়ে বাজারে অবস্থান করেছিলাম সে খুশি মনে পরীক্ষায় হলে গিয়েছিল এবং আগের দুটি পরীক্ষা ভালোভাবে দিয়েছে নুশাদের ভাইয়ের বদলে যাওয়া শুরুটা হাসপাতাল থেকে শুরু হয়েছিল নুশাদের মৃত্যুর আগে মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন যখন তার বক্তব্য নিচ্ছিলেন তখন নুশাদকে সবকিছু শিখিয়ে দিচ্ছিলেন তার ভাই নোমান ওই সময় সাব ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন নোমানকে কে
বাংলাদেশের কোন গণমাধ্যমও তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এরকম চাঞ্চল্যকর একটি মামলার আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলে এত এত গণমাধ্যম দিয়ে কি হবে? কোন যদি নয় ফেনীর কথিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডের নামে যাদেরকে আটক রাখা হয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্তি দিতে হবে।
ছেলেদেরকে কইছে। আমাকে বলছেন কি যে এভাবে বলতে হবে। বাধ্য আমাকে বলতে হবে এভাবে। এরকম এক নরকের মাঝেই দীর্ঘ 15 বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ বসবাস করেছেন। দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় 10 মাস হয়েছে। এরপরেও নির্দোষ এসব মানুষগুলোকে এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন হলো স্বাধীনতা কি শুধুই কিছু মানুষের ভোগের জন্যই এসেছে নাকি অন্যরাও একটু ভোগ করার সুযোগ পাবেন। স্বাধীনতা বিরোধী নুসরাত ফারিয়াদেরকে এদেশে বিশেষ নিয়মে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। অথচ 16 জন মানুষকে মিথ্যা সাজা দিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও সরকারের কোন তৎপরতা নেই।
তৎকালীন বিচারক নিজেই। ওই বিচারক বনজের সাথে হাত মিলিয়ে এক গাঁজাখুরি রায়ের মাধ্যমে 16 জনের জীবন থেকে সোনালী ছয়টি বছর শেষ করে দিয়েছে। অতএব তাকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া পিবিআর একজন কর্মকর্তা ছিল যার নাম শাহ আলম। এই শাহ আলম ছিল বনজ কুমারের ক্যাশিয়ার। বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে শাহ আলমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক টাকা নেয়ার ভয়ঙ্কর অভিযোগ রয়েছে। কথা হইছে তো ইয়ার সাথে শাহ আলমের সাথে। পিপি শালা আমারে দুইদিন খবর দেই। আমারে সালাম ভাই ফোন দিল। ফোন দিবার পরে বলেন কি আপনি এখন আছেন? আমাদের ওরা 300 লাখ টাকা নিছে। এই যে নির্যাতনটা
অথচ তারা জানেও না কি তাদের অপরাধ। এরকম এক বিচারিক অপরাধের সাথে জড়িত মূল অপরাধী মনোজ কুমার পলাতক। ব্যারিস্টার সুমন এবং বাদী পক্ষের আইনজীবী কারাগারে। কিন্তু সময় টিভির ওমর ফারুক কমলদে এবং ফেনী প্রতিনিধিকে এখনো পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয়নি। তাদেরকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। এই মামলার গুরুতর আরেকজন অপরাধী মামলার
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি
কেন পড়াইছোস? এরকম মুসলিম নির্যাতনের প্রকল্পকে সময় টেলিভিশন প্রচার করেছিল পিবিআই এর ব্যাপক সফলতা হিসেবে। সময় টিভির সাথে যুক্ত হয়েছিল আওয়ামী আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন। যিনি বনজ কুমারের পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। সাবেক ওসি মুয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি পিবিআইকে। আমার জীবনে এত সুন্দর স্পষ্ট অল্প সময়ের মধ্যে এরকম রিপোর্ট আমি দেখিনি। এভাবে নুসরাতের অর্থলোভী পরিবার পিবিআই এর বনজ সময় টেলিভিশন আর ব্যারিস্টার সুমনের পরিচালনায় একটি

বাধা দিলেন ওমান পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হন। আমি যখন তার হাসপাতালে তার স্টেটমেন্টটা নিলাম ও স্টেটমেন্টটা নিলাম তখন তো সে একটাবারের জন্য বলে নাই যে এমুক এমুক এমুক। সাব ইন্সপেক্টর কামালের সাথে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের কথোপকথনের একটি পুরাতন রেকর্ড আমাদের হাতে পৌঁছেছে। যেখানে কামাল হোসেন স্বীকার করেন সোনাগাজী থানা পুলিশের তদন্তকারী দল তাদের অনুসন্ধানে আত্মহত্যার প্রমাণ পেলেও অবিশ্বাস্য নাটকীয়ভাবে পিবিআই এটাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ তো একজন আছে আমার খুব কষ্ট হয়
দিন নুসরাত হাস্যজ্জ্বল হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন
। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত 6 এপ্রিল 2019 তারিখে আমি নিজের নুসাদকে আলিফ পরীক্ষা সেন্টার সোনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গেটে পৌঁছে দিয়ে বাজারে অবস্থান করেছিলাম সে খুশি মনে পরীক্ষায় হলে গিয়েছিল এবং আগের দুটি পরীক্ষা ভালোভাবে দিয়েছে নুশাদের ভাইয়ের বদলে যাওয়া শুরুটা হাসপাতাল থেকে শুরু হয়েছিল নুশাদের মৃত্যুর আগে মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন যখন তার বক্তব্য নিচ্ছিলেন তখন নুশাদকে সবকিছু শিখিয়ে দিচ্ছিলেন তার ভাই নোমান ওই সময় সাব ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন নোমানকে কে